চাঁদের প্রাচীন শিলায় পানি
সমকাল ডেস্ক
চাঁদের পাথুরে মাটিতে পানির নিদর্শন পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অ্যাপোলোর চন্দ্রাভিযানে সংগৃহীত প্রাচীনতম শিলাখণ্ডে পানি থাকার প্রমাণ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের এ নতুন আবিষ্কারের মানে, চাঁদে এক সময় পানি ছিল এবং বিবর্তনে সে পানি উধাও হলেও তার চিহ্ন লোপ পায়নি। আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। গবেষণাপত্রটি রোববার 'নেচার জিওসায়েন্স' সাময়িকীতে
প্রকাশিত হয়েছে। খবর দি স্পেস রিপোর্টার, পিটিআই ও দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।
গবেষণালব্ধ তথ্যে দেখা গেছে, চন্দ্রপৃষ্ঠে যে শক্ত ক্রিস্টাল মাটি রয়েছে, তা আদতে ম্যাগমার এক ধরনের খনিজ পরিবর্তিত রূপ। চাঁদ সৃষ্টির প্রথম দিকে চন্দ্রপৃষ্ঠে তরল ম্যাগমা সমুদ্রের মতো প্রবাহিত হতো। এ তরল ম্যাগমার প্রবাহ থেকে তৈরি বিশেষ ধরনের কেলাসিত খনিজ প্লাগিওক্লেস ফেলডসপার চন্দ্রশিলার মূল উপাদান। বিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদের শিলায় ৯০ শতাংশই প্লাগিওক্লেস ফেলডসপার।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কপি পদ্ধতি ব্যবহার করে চাঁদের শিলার প্লাগিওক্লেস ফেলডসপার পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এতে ১০ লাখ ভাগের ৬ ভাগ পানি।
গবেষক দলের অন্যতম ইউসু ঝাং বলেন, চাঁদের এ পানি তরল নয়। তবে খনিজটি হাইড্রোক্সিল (পানি) জাতীয়।
গবেষণাপত্রের লেখক নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের হেজিউ হুই বলেন, অ্যাপোলোর সংগৃহীত চন্দ্রশিলা পরীক্ষা করে আমরা হাইড্রোক্সিল গ্রুপের খনিজটি শনাক্ত করেছি। এ হাইড্রোক্সিল গ্রুপের উপস্থিতি মানে চন্দ্রপৃষ্ঠে ম্যাগমা সাগর প্রবাহের আগে পানির সাগরই প্রবাহিত ছিল। ম্যাগমার প্রবাহ এসে পানির প্রবাহকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অ্যাপোলো-১৫ মিশনের কমান্ডার ডেভিড আর স্কট চাঁদের ওই শিলাখণ্ডটি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে আনেন। ভূতাত্তি্বকদের মতে, চাঁদের ওই শিলাখণ্ডটি ৪০০ কোটি বছরের পুরনো।
চাঁদের পাথুরে মাটিতে পানির নিদর্শন পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। অ্যাপোলোর চন্দ্রাভিযানে সংগৃহীত প্রাচীনতম শিলাখণ্ডে পানি থাকার প্রমাণ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের এ নতুন আবিষ্কারের মানে, চাঁদে এক সময় পানি ছিল এবং বিবর্তনে সে পানি উধাও হলেও তার চিহ্ন লোপ পায়নি। আমেরিকার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। গবেষণাপত্রটি রোববার 'নেচার জিওসায়েন্স' সাময়িকীতে
প্রকাশিত হয়েছে। খবর দি স্পেস রিপোর্টার, পিটিআই ও দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।
গবেষণালব্ধ তথ্যে দেখা গেছে, চন্দ্রপৃষ্ঠে যে শক্ত ক্রিস্টাল মাটি রয়েছে, তা আদতে ম্যাগমার এক ধরনের খনিজ পরিবর্তিত রূপ। চাঁদ সৃষ্টির প্রথম দিকে চন্দ্রপৃষ্ঠে তরল ম্যাগমা সমুদ্রের মতো প্রবাহিত হতো। এ তরল ম্যাগমার প্রবাহ থেকে তৈরি বিশেষ ধরনের কেলাসিত খনিজ প্লাগিওক্লেস ফেলডসপার চন্দ্রশিলার মূল উপাদান। বিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদের শিলায় ৯০ শতাংশই প্লাগিওক্লেস ফেলডসপার।
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান, ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কপি পদ্ধতি ব্যবহার করে চাঁদের শিলার প্লাগিওক্লেস ফেলডসপার পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এতে ১০ লাখ ভাগের ৬ ভাগ পানি।
গবেষক দলের অন্যতম ইউসু ঝাং বলেন, চাঁদের এ পানি তরল নয়। তবে খনিজটি হাইড্রোক্সিল (পানি) জাতীয়।
গবেষণাপত্রের লেখক নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের হেজিউ হুই বলেন, অ্যাপোলোর সংগৃহীত চন্দ্রশিলা পরীক্ষা করে আমরা হাইড্রোক্সিল গ্রুপের খনিজটি শনাক্ত করেছি। এ হাইড্রোক্সিল গ্রুপের উপস্থিতি মানে চন্দ্রপৃষ্ঠে ম্যাগমা সাগর প্রবাহের আগে পানির সাগরই প্রবাহিত ছিল। ম্যাগমার প্রবাহ এসে পানির প্রবাহকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অ্যাপোলো-১৫ মিশনের কমান্ডার ডেভিড আর স্কট চাঁদের ওই শিলাখণ্ডটি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে আনেন। ভূতাত্তি্বকদের মতে, চাঁদের ওই শিলাখণ্ডটি ৪০০ কোটি বছরের পুরনো।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন