রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩


তরুণদের আন্দোলনে টাকা দিচ্ছেন রিকশাচালক, ভিক্ষুক

খুলনা অফিস | তারিখ: ১১-০২-২০১৩


  • ফরিদপুরের আলীপুর ইমাম উদ্দীন স্কয়ারে বিক্ষোভ
    ছবি: প্রথম আলো
  • জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
    ছবি: প্রথম আলো
  • নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গানের মাধ্যমে ফাঁসির দাবি জানানো হয়
    নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গানের মাধ্যমে ফাঁসির দাবি জানানো হয়
    ছবি: প্রথম আলো
  • রাজশাহী নগরের আলুপট্টি মোড়ের প্রতিবাদ সমাবেশে বিক্ষুব্ধ শিশু শিক্ষার্থীরা
    রাজশাহী নগরের আলুপট্টি মোড়ের প্রতিবাদ সমাবেশে বিক্ষুব্ধ শিশু শিক্ষার্থীরা
    ছবি: প্রথম আলো
  • দাবির সমর্থনে কুমিল্লা টাউন হলের মুক্ত মঞ্চে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ
    দাবির সমর্থনে কুমিল্লা টাউন হলের মুক্ত মঞ্চে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ
1 2 3 4 5
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের নেতা আবদুল কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে খুলনা নগরের শিববাড়ি মোড়ে চলছে অবস্থান কর্মসূচি। আন্দোলনে যোগদানকারী তরুণ-তরুণীদের ঘরে ফেরার সময় নেই। গত বুধবার থেকে রাত-দিন রাস্তায় পড়ে আছেন তাঁরা, চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলন-কর্মসূচি। আন্দোলনকারী এই তরুণদের সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন রিকশাচালক, পান বিক্রেতা, সবজি বিক্রেতা থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
গতকাল রোববার দুপুরে শিববাড়িতে অবস্থিত নির্দলীয় গণমঞ্চের সমাবেশে যোগ দিতে এসেছিলেন নগরের নিউমার্কেট এলাকার পানবিক্রেতা পিটার বাড়ৈ। তিনি বলেন, ‘আমি যুদ্ধ দেহিনি, মার কাছে শুনিছি। এই রাজাকার কত মুক্তিযোদ্ধার মাথা কাইটে ফেলিছে।

 আমাদের কত মা-বোনের ইজ্জত নিছে। রাজাকারদের ফাঁসির জন্য এ রহম আন্দোলন আগে দেহিনি। আমি চাই এগে ফাঁসি হোক। কত কষ্ট কইরে এই আন্দোলন চালাচ্ছে ছেলে-মাইয়েরা! ইরা তো ছাত্রমানুষ, টাহা পাবে কনে? তাই এক শ টাকা দিলাম।’
গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় নির্দলীয় গণমঞ্চে গিয়ে দেখা গেছে, মঞ্চের পাশে রাখা সহায়তা তহবিলের কাছে জনাত্রিশেক মানুষ ভিড় করে আছেন। তাঁদের উদ্দেশ্য অর্থ সহায়তা করা। এ সময় কথা হয় নগরের ফুলতলা থেকে আসা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মতিয়ার রহমানের (৭০) সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘তরুণেরা যাতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারে তার জন্য সাধ্যমতো কিছু টাকা দিতে আসছি।’
নির্দলীয় গণমঞ্চের সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম জানান, ভিক্ষুক, রিকশাচালক, দিনমজুর থেকে শুরু করে সব শ্রেণীর মানুষ বৈষম্য ভুলে এখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে টাকা দিচ্ছেন। আন্দোলনে শরিক হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা লক্ষ করে দেখেছি, একজন বা দুজন নয়, অনেক রিকশাচালক ও ভিক্ষুক এভাবে টাকা দিচ্ছেন। এখানে রাজনৈতিক দলের অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক বক্তা না থাকায় মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে যোগ দিচ্ছেন। এ কারণে এই আন্দোলন এখন সর্বজনীন হয়ে উঠেছে।’
প্র/আ.১১.২.১৩

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন