রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩


সংসদে প্রশ্নোত্তর

নারী ধর্ষণের মাত্রা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে

তারিখ: ০৭-০২-২০১৩
দেশে নারী, বিশেষ করে কিশোরী ধর্ষণের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ধর্ষক বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে তৃণমূল পর্যায়ে গণসচেতনতামূলক কাজ জোরদার করা হচ্ছে।
জাতীয় সংসদে গতকাল বুধবার প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের ফরিদুন্নাহার লাইলীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা, বৈষম্য, অবিচার এবং নারী উন্নয়নের অন্যান্য প্রতিবন্ধকতার মধ্যে ধর্ষণ অন্যতম। এর ফলে নারী ও শিশুরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়। ধর্ষণের কারণে শুধু নারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন না, দেশের উন্নয়ন অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সৈয়দ মোহসীন আলীর প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ঢাকা-সিলেট রেলপথকে ডাবল লাইনে উন্নীত করার পরিকল্পনা সরকারের আছে। বর্তমানে টঙ্গী-ভৈরব বাজার ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলছে। নাছিমুল আলম চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজধানীর যানজট কমাতে আশপাশের জেলার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ৮৪৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ শীর্ষক একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটি ২০১৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। আগামী জুনে এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।
মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের চার হাজার ৪৮৬ একর জমি অবৈধ দখলে রয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলে এক হাজার ৭৮ একর এবং পশ্চিমাঞ্চলে তিন হাজার ৪০৮ একর। গত দুই বছরে ১৪৩ একর জমি অবৈধ দখলমুক্ত হলেও যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে কিছু জমি আবার অবৈধ দখলে চলে যাচ্ছে। শফিকুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমান সরকারের আমলে ৪৫টি নতুন ট্রেন চালু করা হয়েছে এবং ২২টি ট্রেন চলাচলের রুট বাড়ানো হয়েছে।
ফরিদুন্নাহার লাইলীর প্রশ্নের জবাবে মুজিবুল হক বলেন, রেলওয়ের উন্নয়নে বর্তমান সরকার ১৮ হাজার ৩১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৮টি প্রকল্প এবং পাঁচ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার ১১টি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি আধুনিক শহরে রাস্তার পরিমাণ মোট আয়তনের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু ঢাকা নগরে রাস্তা আছে মাত্র ৭-৮ শতাংশ। তবে বর্তমানে আয়তনের তুলনায় কী পরিমাণ বেশি যানবাহন চলছে, তার হিসাব নেই। ২০১২ সালে ঢাকা শহরে দৈনিক ১৩৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৬টি গাড়িকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন